মহা নেতা তেং শিয়াও পিং

মহা নেতা তেং শিয়াও পিংয়ের ১৯০৪ সালের ২২ অগাষ্ট। তিনি ১৯৯৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী মারা যান। চীন গণ প্রজাতন্ত্রের প্রধান নেতা, চীনের সমাজতান্ত্রীক সংস্কার ও উন্মুক্ততা এবং আধুনিক সমাজ গঠনকাজের অমর স্থপতি ছিলেন তিনি

তিনি ছিলেন চীনের সিছুয়েন প্রদেশের কুয়াংআন জেলার অধিবাসী। ৫ বছর বয়সে তিনি ইস্কুলে ভর্তি হন। প্রাথমিক ইস্কুল পাশ করার পর, তিনি কুয়াংআন জেলার মধ্যমিক ইস্কুলে ভর্তি হন। ১৯১৯ সালের শরত্কালে তিনি ছুয়াংছিন খন্ডকারীণ কাজ, খন্ডকালীণ পড়াশুনার পদ্ধতিতে ফ্রান্সে পড়াশুনার জন্যে প্রস্তুতিমূলক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯২০ সালের গ্রীষ্মকালে তিনি ফ্রান্সে গিয়ে একই পদ্ধতিতে পড়াশুনা করতে শুরু করেন। ১৯২২ সালে তিনি চীনের সামাজতান্ত্রীক যুব লীগে যোগ দান করেন, ১৯২৪ সালে তিনি চীনের কমিউনিষ্ট পার্টিতে যোগ দান করেন।

তিনি "এক চীন দুই ব্যবস্থা" উত্থাপন করেন এবং চীন অবিচলিতভাবে স্বাধীন আর স্বতন্ত্র শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে। এই নীতির মৌলিক লক্ষ্য হলো চীনের স্বাধীনতা,স্বার্বভৌমত্ব ও ভূভাগের অখন্ডতা রক্ষা করা, চীনের সংস্কার, উন্মুক্ততা আর আধুনিক গঠনকাজের জন্য একটি চমত্কার আন্তর্জাতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষা করা ও অভিন্ন উন্নয়ন তরান্বিত করা।

আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করা, বিশ্বশান্তি রক্ষা করা,দেশ বড় হোক ছোট হক, শক্তিশালি হোক দুর্বল হোক, গরিব হোক ধনি হোক, সবাই আন্তর্জাতিক সমাজের একই মর্যাদাপ্রাপ্ত সদস্য। রাষ্ট্রেরাষ্ট্রে পরামর্শের মাধ্যমে শান্তিপূর্নভাবে পরস্পরের দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষ নিস্পতি করা উচিত, বলপ্রয়োগ বা বলপ্রয়োগের দ্বারা হুমুকি প্রদর্শন করা উচিত নয়,যে কোনও ওজুহাতে অন্য দেশের অভ্যতরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।

সক্রিয়ভাবে ন্যায় ও যুক্তিযুক্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি আর অর্থনীতির নতুন শৃঙখলা প্রতিষ্ঠার কাজকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পঞ্চশীল নীতি আর অন্যান্য গণ-স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মানদন্ড আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির নতুন শৃঙখলা প্রতিষ্ঠা করার ভিত্তি হওয়া উচিত।

পরস্পরের সার্বভৌমত্ব আর ভূভাগের অখন্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন, পারস্পরিক অনাক্রমন, পরস্পরের অভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা, সমতা আর পারস্পরিক উপকারিতা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পঞ্চশীল নীতির ভিত্তিতে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ও সম্প্রসারন করতে চীন ইচ্ছুক।

সার্বিকক্ষেত্রে বৈদেশিক উমুক্তদ্বার নীতি প্রচলন করে সমতা আর পারস্পরিক উপকারিতার নীতির ভিত্তিতে বিশ্বের সকল দেশ আর অঞ্চলের সঙ্গে ব্যাপকভাবে বানিজ্য আদানপ্রদান,অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি যোগাযোগ করবে এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি তরান্বিত করবে।…

বিস্তারিত

চীনের বিপ্লবী নেতা চান ওয়েন থিয়েন

১৯০০ সালের আগষ্ট মাসের ৫ আগস্ট সাংহাইয়ের ফুতুংয়ে চান ওয়েন থিয়েনের জন্ম ১৯২৫ সালে তিনি চীনের কমিউনিষ্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং একই বছর চুনসান বিশ্ববিদ্যালয় ও বিপ্লবী প্রফেসার ইন্সটিটিউটে লেখাপড়ার জন্য মস্কো যান ১৯৩০ সালে চান ওয়েন থিয়েন দেশে ফিরে আসেন ১৯৩১ সালে চান ওয়েন থিয়েন চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার বিভাগের প্রধান, পার্টির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য ও স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।…

বিস্তারিত

পাবলো নেরুদাঃ শোষিত মানুষের বিপ্লবের কবি

আমি কবিতা লিখি নাআমি কবিও নইআপনারা আমাকে কেন কবি বলেন, তা আমি জানি না আমি শুধু শ্রমিকের সেঁত-সেঁতে ঘামের গন্ধ নিতে চেষ্ঠা করি, শোরারের গর্ত থেকে (ক্ষণি থেকে) শ্রমিক যখন উঠে এসে একটু বিশ্রাম নেয়_ তখন তাঁর চোখের ভাষা বোঝার চেষ্ঠা করি, তাঁদের জীবন ও জীবনের বোধ-অনুভূতি-কষ্টগুলো উপলদ্ধি করি এবং তা কোনো কাগজে লিখে রাখি নিজেরই প্রয়োজনেবলুন এজন্য কি আমাকে কবি বলা যায়? আমি কবি হতে চাই নাআমি তাঁদের একজন বন্ধু হতে চাই।-----পাবলো নেরুদা

পাবলো নেরুদা অবশ্য নিজেকে রাজনৈতিক কবি মনে করতেন নাআবার নিজেকে ভাবাদর্শিকভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ কবিতার প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করে শ্রেণীভুক্ত করার সমালোচকদের প্রচেষ্টার নিন্দাও করেছেন।…

বিস্তারিত

ওদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে আমার প্রিয় এম-২ রাইফেলটা অকেজো হয়ে গেছেতবে আমার পরাজয় এই নয় যে, বিজয় অর্জন সম্ভব নয়এভারেস্ট বিজয়ের অভিযানেও অনেকে পরাজিত হয়েছিলেনকিন্তু সেটা আজ মানুষ জয় করেছেফিদেলকে বলো_ আমার মৃত্যুতে বিপ্লব পরাজিত হয়নিবিপ্লবের মৃত্যু নেইশোষিত মানুষের জয় অনিবার্যপুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদ একদিন ধ্বংস হবেইবিদায়_চে

তিনি জন্মে ছিলেন ১৯২ সালের ১৪ জুন আর্জেন্টিনায়বেঁচেছিলেন মাত্র ৩ বছরতাঁকে মেরে ফেলা হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ৮ অক্টোবরের রাত শেষে ৯ অক্টোবরের পড়ন্ত রাতের ১ টা ৩০ মিনিটেএই কিংবদন্তি বিপ্লবীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারা পৃথিবীব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হবে চেএকটি নামএকটি বিপ্লবযে নামের সঙ্গে বিপ্লব শব্দটির অদ্ভুদ সম্পর্কযে নামটি থেকে বিপ্লব শব্দটিকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেইচেনামটি শুনলেই শরীরের কোষগুলো বিদ্রোহ করে উঠেমুহূর্তের মধ্যে চেতনার তন্দ্রা-কারফিউ ভেঙ্গে যায়এ এক অদ্ভুদ অনুভূতিঅবশ্য এ অনুভূতি_ উপলব্দির জন্য চেতনা থাকা চাই।…

বিস্তারিত

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (সংক্ষিপ্তরূপ দি ওয়েব) হল ইন্টারনেট দিয়ে দর্শনযোগ্য আন্তঃসংযোগকৃত তথ্যাদির একটি ভাণ্ডার। একটি ওয়েব ব্রাউজারের সহায়তা নিয়ে একজন দর্শক ওয়েবপাতা বা ওয়েবপেজ দেখতে পারে এবং সংযোগ বা হাইপারলিঙ্ক ব্যবহার করে নির্দেশনা গ্রহণ ও প্রদান করতে পারে।…

বিস্তারিত

কিম জোং ইল: এক কিংবদন্তী বিপ্লবী

রাজনীতি সচেতন মানুষ ছাড়া কিম জোং ইলের নাম অন্যেরা খুব কমই জানেনআবার সকল রাজনৈতিক সচেতন মানুষ তাঁর সম্পর্কে জানে বিষয়টি এমনও নয়তবে যারা বিশ্ব রাজনীতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখেন তারা অধিকাংশেই এই কিংবদন্তীকে কম করে হলেও মোটাদাগে খিছু না কিছু জানেনঅবশ্য বামপন্থী ঘরানার সমাজ পরিবর্তনের যোদ্ধারা কিম জোং ইলকে সবচেয়ে ভাল জানেন।…

বিস্তারিত
© 2017. All Rights Reserved. Developed by AM Julash.

Please publish modules in offcanvas position.